fbpx

ছিদ্র নিয়া ছিদ্রযুক্ত আলাপ

অনেক নামে তারে চিনে মানুষ। কেউ ডাকে গর্ত বইলা, কেউ বলে ছিদ্র আবার কেউ কেউ ফুটা নামেও চিনে। কোন জায়গায় পাইবেন না তারে? তালায় চাবি ঢুকাইবেন ছিদ্র দিয়া, মুখ ধোয়ার বেসিনে আছে পানি যাওয়ার ছিদ্র, ক্যারামের পকেট বইলা যারে ডাকেন তা ওই ছিদ্রই, দামি দামি বিস্কুটের গায়ে আছে ছোট ছোট ছিদ্র, টিনের চালে হইলে তারে নাকি বলে ফুটা, জন্মের সময় বাইর হই আমরা ফুটা দিয়াই আবার মরলে ঢুকায় গর্তে। আবার মহাকাশেও নাকি বিশাল শক্তিশালী ফুটা আছে যারে ডাকা হয় কৃষ্ণগহ্বর নামে। কিন্তু কথা হইলো, এই যে ছিদ্র, গর্ত, ফুটা যাই হোক না কেন, এই জিনিসটা আসলে কি, কি দিয়া তৈরি? দর্শনের এই ফুটা নিয়া  বড় একটা প্রশ্ন হইলো, “ফুটা আসলেি কি কোন কিছু?” নাকি “এইটা এমন জায়গা যেইখানে আসলে কিছু নাই?”, যেমনটা জর্মন লেখক কার্ট তুহলস্কি আলোচনায় আনছিলেন তার লেখা ‘দি সোশ্যাল সাইকোলজি অব হোলস*’ (১৯৩১) নামের একটা ব্যঙ্গ রচনায়। বেপারটা পরিষ্কার ভাবে বোঝার জন্য চলেন আমরা গর্তে ঢুইকা দেখি।

একটা ক্লাসিক ডোনাটের কথাই ধরেন। ডোনাটের রুটির অংশ হইলো ছিদ্রের ‘হোস্ট’ যা ছিদ্রটারে ঘেরাও দিয়া রাখে। এইবার ধরেন আপনি ছিদ্রের ভিতর একটা আঙ্গুল ঢুকাইয়া ডোনাটটারে আংটির মত কইরা পরলেন। এখন আপনের আঙ্গুল হইলো ছিদ্রের ভিতর ‘গেস্ট (মেহমান)’। এইবার ভাবেন তো, এই ডোনাটটা যখন কারখানায় তৈরি করা হইতেছে, তখন ময়দার মাখনির ভিতর থেকে ছিদ্র কইরা কিছু অংশ সরাইয়া নেওয়া হইলো। এই সরাইয়া নেওয়া অংশটারে আমরা কি বলব? এইগুলাও কি ছিদ্রের গেস্ট যাদেরকে এমনিতেই উচ্ছেদ করা হইত? আবার, এই অংশগুলা দিয়া নতুন আরেকটা খাবার তৈরি করা হয় যেইগুলা ‘ডোনাটের ছিদ্র’ দিয়া তৈরি বইলা বাজারজাত করা হয়। কিন্তু আসলে তো তা না। কারণ এইগুলা তো ছিদ্র হইতে উৎপন্ন না, বরঞ্চ এইগুলার কারণে ছিদ্র তৈরি হয়।

 

Image result for metaphysics of holes

মুল লেখায় ব্যবহৃত ছবি (সৌজন্যেঃ স্যালি এল স্টাইনবার্গ)

 

এখন যতটুকু ময়দা সরানো হইছে, তারে যদি আমরা এই ‘ছিদ্র’ হিসেবে না মানি, তাইলে আমরা কিসেরে এই ‘ছিদ্র’ হিসেবে মানতে পারি? ছিদ্র কি তাইলে কোন বস্তু যার চেয়ার-টেবিলের মত নিজের শরীর আছে, নাকি শুধু একটা অস্তিত্বশীল অবস্তু যার কোন শরীর নাই? নাকি, ছিদ্র আসলে কোন কিছুই না?

দুইজন মার্কিন দার্শনিক স্টেফানি আর ডেভিড লুইস তাদের গবেষণাপত্র ‘হোলস’-এ (১৯৭০) এই বিষয়ে একটা আলোচনা তুইলা ধরছেন, যার মধ্যে আর্গল আর বার্গল নামের দুইটা চরিত্রের মধ্যের একটা আলাপ আছে। আর্গল একটা বস্তুবাদী চরিত্র যে, যেকোন অবস্তুর অস্তিত্ব নাকচ কইরা দেয়। বস্তুবাদ আর্গেলের দিক দিয়া আপাতদৃষ্টিতে একটা বিশ্বাসযোগ্য আর সেইসাথে সুবিধাজনক জায়গা, যেহেতু এইটা বস্তুর আলোচনার বাইরের অন্যান্য যেকোন অদ্ভুত, কিম্ভুত জিনিস নিয়া একদমই মাথা ঘামায় না আবার তত্ত্বগতভাবে মোটামুটি হিসাবিও। মোটকথা, আর্গল এই বস্তুগত পৃথিবীতে বসবাসকারী একটা বস্তুবাদী মেয়ে, যেইখানে যা কিছু আছে, সবকিছুর উপাদান শারীরিক-বস্তু।

আরেকদিকে বার্গল, আর্গলের বস্তুবাদকে চ্যালেঞ্জ করতে আরও দুইটা প্রতিজ্ঞা খাড়া করায়, যেইগুলা হইলো, ছিদ্রের অস্তিত্ব আছে আর সেই ছিদ্র হইলো অবস্তু। আপাতদৃষ্টিতে ছিদ্র বা গর্তের অস্তিত্ব আছে: গর্ত, ছিদ্র, ফুঁটা যেইটাই বলা হউক, আমরা বুঝি যে বেপারটা কি; আমাদের ভাষায় তাদের জন্য আলাদা কইরা রাখা শব্দ আছে; সেইসাথে অন্যান্য অনেক জিনিসের অস্তিত্ব নিয়া আলোচনার জন্যই এদেরকে দরকার। আবার, আপাতদৃষ্টিতে এইটাওতো ধরা হইতেছে যে, গর্ত অবস্তু আর, এইটা শরীরী কিছু না যেহেতু আমাদের অনুমিত জ্ঞানের ব্যাখ্যা হইলো, এইটা শুধু ফাকামত কিছু একটা যা আসলে কোন বস্তু হইতে পারেনা। যেমনটা, তুহলস্কি বলছেন যে, এইটা এমন একটা জিনিস, যেইখানে শরীরী বস্তু অবর্তমান। তাই আর্গল আর বার্গল এর তর্কের ভিত্তি এমন কিছু বেপার, যেইগুলা আপাতদৃষ্টিতে এককভাবে মানা যায়, কিন্তু সব একসাথে নিয়া বসলে কোনভাবেই ধোপে টেকে না:

(১) পৃথিবীতে কোন অবস্তু নাই।

(২) পৃথিবীতে গর্ত আছে।

(৩) গর্ত অবস্তু।

এইখানে কিছু ঝামেলা আছে, কারণ প্রথম যুক্তি বলতেছে যে পৃথিবীতে কোন অবস্তু নাই, আবার দ্বিতীয় আর তৃতীয় যুক্তি একসাথে বুঝাইতেছে পৃথিবীতে গর্ত নামের একটা অবস্তু আছে। এখন কথা হইলো যদি গর্ত থাকে আর গর্ত যদি অবস্তু হয়, তাইলে গর্তের মত অবস্তুও থাকতে পারে। তাইলে যুক্তি কোনটা ভুল? প্রথমটারে ভুল ধইরা বলা যায় যে, পৃথিবীতে গর্তের মত অবস্তু আছে। কিন্তু, বস্তুবাদী আর্গলের ঝুড়িতে এই যুক্তি থাকা সম্ভব না, যেহেতু সে অবস্তুর অস্তিত্ব মানতে নারাজ।

তাইলে চলেন দ্বিতীয়টা বাদ দিয়া দেখি, যেইখানে গর্তের অস্তিত্ব মানা হইছে। এই বেপারে সমস্যাটা হইল আমাদের ভাষা নিয়াই; যেমন ধরেন আমরা কিন্তু বলিই যে, ‘আমার বালতিতে ফুটা (গর্ত) আছে’; আর এইখানেই আমরা গর্তের অস্তিত্ব মাইনা নেই। যখন আমরা এই ধরণের কথা বলি, এমনও হয় যে, আমরা বালতির গর্তের দিকে ইশারাও করি। এখন, যদি কোন গর্ত না-ই থাইকা থাকে, এমনকি ইশারা করার মতও কোন গর্তও যদি না থাকে তাইলে আমাদেরক ভাষায় গর্তের উল্লেখ বাদ দিতে হবে। যেমন, ফুটা বা গর্তের উল্লেখ না কইরা, আপনের বালতি যদি প্লাস্টিকের হয় তাইলে বলা যায়, ‘আমার বালতির তলায় একটুখানি একজায়গায় প্লাস্টিক নাই, এইপাশ-ওইপাশ দেখা যায়’। ফুটার উল্লেখ থাকলে ভাষার যেই সৌন্দর্য থাকে, এইখানে হয়তোবা সেই সৌন্দর্যটা থাকবেনা কিন্তু আপনি যা বুঝাইতে চাইছেন তা বুঝাইতে পারবেন ভালভাবেই। পরের কথায় আমরা ফুঁটারে উদ্দেশ্য না কইরা বালতিরে উদ্দেশ্য কইরা কথা বলছি আর বালতির কোন একটা জায়গায় বস্তুগত উপাদানের অনুপস্থিতিজনিত সমস্যা বুঝাইতে চাইছি, অবশ্যই ফুটার উল্লেখ না কইরা। কিন্তু আপনের দৈনন্দিন জীবনের প্রত্যেকটা ফুঁটারে কি আপনি এইভাবে ঘুরাইয়া-পেচাইয়া বুঝাইতে পারবেন? আবার আপনি যে আপনের ভাষার শব্দতালিকা পরিমার্জন করলেন ফুটা বিষয়ক সবকিছু বাদ দিয়া, তাতেও কি এর অস্তিত্বশীলতার কোন পরিবর্তন ঘটাইতে পারছেন আপনি? কারণ, খুবই স্বাভাবিক একটা বেপার হইলো, কোন কিছু নিয়া কথা না বলা মানেই এই না যে ওই জিনিসটার কোন অস্তিত্ব নাই।

এখন আসেন তৃতীয় যুক্তির কথায়, যেইখানে গর্তের বেপারে বলা হইছে যে, এইগুলা অবস্তু। এইটারে কি বাতিল করা যায়? গর্ত কি কোন বস্তু হইতে পারে? বেপার হইলো, এইটাই তো আমাদের মুখ্য আলোচনা। গর্ত যদি বস্তু হয়, তাইলে তারা, কি বস্তু, কোন ধরণের বস্তু? শুরুর দিকে আমরা যেই ‘গেস্ট’ এর আলোচনা কইরা আসলাম, তারা কি ওইরকম কিছু? কিন্তু, তাও তো সম্ভব না। তাইলে তারা কি ‘হোস্ট’-এর অংশ, মানে কিনারা সহ যদি ধরা হয়? হইতে পারে। তাইলে ডোনাটের কিনারার কতটুকু আমাদের গর্তের অংশ হিসেবে ধরা উচিত? পুরুত্বের ১ মিলিমিটার গভীর পর্যন্ত? নাকি গর্তটারে ঘেরাও দেওয়া হোস্টের পুরাটাই? অথবা, এর মাঝামাঝি কিছু একটা? কিন্তু, এর মাঝামাঝি তো অসংখ্য লাইন ধরা যায় গর্তের সীমানা হিসেবে, কোন যুক্তিতে নির্বিচারে একটারে বাদ আরেকটা ধরবেন। আবার যদি যেকোন একটা না ধইরা একগুচ্ছ ধরতে যান, তাইলে তো ডোনাটে গর্তও একগুচ্ছ থাকা লাগে প্রত্যেকটার আলাদা সীমানা ধইরা। এখন, একই জায়গায় আপনি এতগুলা গর্ত কেমনে ধরবেন? এইটাতো আরও বড় সমস্যা। এতকিছুর পরেও ধরেন হোস্টের ভিতরে একটা সীমানা ধরা হইলো; তাইলেতো এইটা বুঝাবে যে, ডোনাট খাওয়ার সময় আপনি ডোনাটের গর্তটাও একসাথে খাইবেন। কিন্তু, আসলে কি তাই? এইটা আরও ভাবনার বিষয়।

কিন্তু, এত ভাবাভাবির কি আছে এই বিষয় নিয়া? গর্তে বা ফুটায় কি আছে? গর্ত বিশেষজ্ঞ আর কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শনের অধ্যাপক ‘আকিল্লেহ ভারসি’ এই বিষয়ে ২০০০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট পুনঃগণনার ঘটনা উল্লেখ করেন। ভারসি অনেকটা এইরকম বলেন, “হঠাত কইরা দেখা গেল মার্কিনীদের ভবিষ্যত, এমনকি সারা পৃথিবীর ভবিষ্যত নির্ভর করতেছে কিভাবে কিছু ফুটা গোনা হবে তার উপর”। শুধু, মার্কিন মুল্লুকেই না, আপনের দেশেও তাই। এখন, ফুটা যেহেতু গুনতে হবেই, আমাদের জানা থাকা দরকার কিভাবে এদের চেনা যায় আর একটা থেকে আরেকটা আলাদা করা যায়। আর এই জন্যই আমাদের জানা দরকার, ফুটা আসলে কি? ধরলাম, ভারসির বলা ঘটনা সবসময় ঘটেনা। কিন্তু তারপরও আমাদের বাস্তব জ্ঞানের গর্ত ভরাট করার জন্য ফুটা আসলে বস্তু নাকি অবস্তু বা এইটা শরীরী নাকি না এইগুলা জানা খুবই দরকার।

 

[লেখক পরিচিতিঃ

সুকি ফিন যুক্তরাজ্যের সাউদাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শনের একজন পোস্টডক্টরাল রিসার্চ ফেলো। তিনি ইউরোপীয়ান রিসার্চ কাউন্সিল (ইআরসি) এর অর্থায়নে ‘বেটার আন্ডারস্ট্যান্ডিং দি মেটাফিজিক্স অব প্রেগনেন্সি’ নামের একটা প্রকল্পে কাজ করতেছেন। তার গবেষণাগুলার আলোচ্য বিষয়গুলা মূলত দর্শন, যুক্তিবিদ্যায় দর্শন ইত্যাদি।]

 

*দি সোশ্যাল সাইকোলজি অব হোলস

 

ছিদ্র নিশ্ছিদ্রের স্থায়ী সহচর; ‘দুঃখিত’ বলতে হয়, কারণ আসলে ছিদ্র তো নিজে নিজে কিছু না। সবখানেই যদি কিছু না কিছু থাকে তাইলে, ছিদ্রেরতো জায়গা নাই, এমনকি দর্শনেরও না, ধর্মেরও না, যাদের উৎপত্তিই ছিদ্র নিয়া।

ছিদ্র বা গর্ত যদি না থাকতো, তাইলে ইঁদুর থাকতো না, এমনকি মানুষও না। এইখানেই এই দুই দল শেষ পর্যন্ত উদ্ধার পায়, যখন তারা পারিপার্শ্বিকতার চাপে পড়ে। তাইলে কিন্তু, ছিদ্র ভাল জিনিস।

ছিদ্রের সবচেয়ে আজব বেপার হইলো তার কিনারা। এইটা আসলে কিছু একটার অংশ, যা সবসময় শূন্যের পাহারায় ব্যস্ত- আরেক কথায়, ‘কিছু’র সীমান্ত প্রহরী। শূন্যতার কোন প্রহরী নাই; কিনারায় থাকা অণু-পরমাণুগুলা ছিদ্র দিয়া তাকাইয়া থাকতে থাকতে ঝিমায়; আর ছিদ্রের অণু-পরমাণুগুলা? অবিচলিত? তাদের অবস্থার বর্ণনা দেওয়ার মত শব্দ ভাষায় নাই। কারণ, আমাদের এই ভাষা আসছে ‘কিছু’র পক্ষের হাতে ধইরা; ‘ছিদ্র’র পক্ষের ভাষা আলাদা।

ছিদ্র নিশ্চল। কোন ছিদ্র পাইবেন না যে ঘোরাফেরা করে। মোটামুটি সবার ক্ষেত্রেই তা বলা যায়।

শাদি করলে তারা একে অপরের মধ্যে একাকার হয়। দুই ছিদ্রের মাঝের দেয়াল সরাইয়া দেন। এখন ডান দিকের কিনারা কি বাম ছিদ্রের নাকি বামেরটা ডানের, নাকি যার যার টা তার তার, নাকি সবারটা সবার? চিন্তার বিষয়।

আবার, ধরেন একটা ছিদ্র ভরাট করলেন, তাইলে ওইটা কই গেল? ওইটা কি নিজেরে ঠেইলা যা দিয়া ভরাট করা হইছে তার মধ্যে ঢুইকা গেল? নাকি, নিজের মরাকান্না শুনাইতে অন্য ছিদ্রের কাছে গেল? ভরাট করা ছিদ্রের জায়গা তাইলে কই? কেউ জানে না।

আমাদের জ্ঞানের দৌড় যতদূর, তার মধ্যে একটা ব্যাখ্যা হইলো, যেইখানে ‘কিছু’ আছে, সেইখানে অন্য‘কিছু’ থাকতে পারে না। তাইলে যেইখানে একটা ছিদ্র আছে, ওইখানে কি আরেকটা ছিদ্ররে জায়গা দেওয়া যায়? আধা-ছিদ্র বলতেই বা কিছু নাই কেন?

কিছু জিনিসে এক্কেবারে ছোট্ট একটা ছিদ্র থাকলেও, তার কোন মুল্য নাই; কারণ যখন তাদের একটা অংশে ‘কিছু’ একটা না থাকে, বাকি পুরাটার আর আগের মুল্য থাকে না। যেমন? টিকিট, কুমারী, বেলুন। এইখানে এই ‘কিছু’রে খুঁজলেই তার ছিদ্র বাইর হইয়া পড়ে। আবার, কেউ কি এই দুই নৌকায়ই পা দিয়া থাকতে পারে? যদি পারে, তাইলে বুঝতে হবে, সত্য জ্ঞানের স্বাদ সে পাইছে। অবশ্য, এখনো এমন কেউ নাই।

বেহুদা ক্ষমতাক্রান্ত কেউ কেউ ভাবে, ছিদ্র খারাপ জিনিস। কিন্তু, আসলে বেপারটা ভুল। ছিদ্র ছাড়া মানুষ হয়না, বরঞ্চ এই ক্ষেত্রে ছিদ্র থাকতে হবেই। হাইসেন না! এই জগতে ছিদ্র বা গর্ত হইলো স্বর্গের রাস্তার প্রথম দরজা। মরলেই টের পাইবেন, আসলে জীবন কারে কয়।

 

কার্ট তুহলস্কি, ১৯৩১

আরও দেখেন

সরিষার ভূতঃ সত্য বনাম মধ্যপন্থা... একটা সাধারণ মত পার্থক্যের ঘটনা দিয়াই চলেন আলাপ শুরু করি। ধরেন, আপনি আপনার নতুন বউরে নিয়া বাসর রাতে বারান্দায় বইসা আছেন। মাত্র কিছুক্ষণ আগে বিয়ার অনুষ্...
হোসাইন মোহাম্মদ ওমর খৈয়াম
হোসাইন মোহাম্মদ ওমর খৈয়াম

কবি এবং অনুবাদক। সমাজ, মানুষ আর রাজনীতি পছন্দের তালিকায় সবচেয়ে উপরে।

No Comments Yet

Comments are closed

error: