fbpx

বোকা বাক্সো ও এন্টারটেইনমেন্ট কালচার

টেলিভিশন আমার কাছে খুবই শিক্ষামূলক। যখনই কেউ ওইটা চালু করে, আমি পাশের ঘরে চলে যাই এবং কোনো একটা বই পড়া শুরু করি। ~ গ্রুশো মার্ক্স

ভূমিকায় বিশ শতকের দুইজন বিখ্যাত ডিস্টোপিয়ান নভেলিস্ট, জর্জ অরওয়েল ও অলডাস হাক্সলির ভিশনকে বর্তমান দুনিয়ার বাস্তবতার এনালজি হিসাবে ব্যবহার করেন লেখক। অরওয়েলের ‘১৯৮৪’ এবং অলডাস হাক্সলির ‘ব্রেইভ নিউ ওয়ার্ল্ড’ উপন্যাস দুইটার ভিশন তুলনা করেন:

অরওয়েল সাবধান করেন যে, বাইরে থেকে আরোপিত শোষনের শিকার হবো আমরা। হাক্সলির ডিস্টোপিয়ায়, মানুষকে শোষণ করতে, বন্দী বা ইতিহাস বিচ্ছিন্ন রাখতে কোনো বিগ ব্রাদারের দরকার নাই। কারণ মানুষ নিজেদের শোষিত হওয়াটাই ভালোবাসবে, পছন্দ করবে সেই প্রযুক্তিকে যা তাদেরকে করবে চিন্তাক্ষমতারহিত।

অরওয়েলের ভয় ছিলো তাদের নিয়ে যারা বই নিষিদ্ধ করতে পারে। হাক্সলির ভিশনে বই নিষিদ্ধ করার প্রশ্নই উঠবে না যেহেতু তেমন কেউই থাকবে না যে বই পড়তে চাইবে।

অরওয়েলীয় জগতে তথ্য গোপন করা হবে জনগণ থেকে।হাক্সলির কল্পিত দুনিয়ায় জনগণকে এতো তথ্যে দেওয়া হবে যে তারা প্যাসিভিটি আর আত্মঅহমিকায় ডুবে যাবে। অরওয়েল সত্য গোপন করা হবে এমন সম্ভবনা দেখছেন। হাক্সলির ভয়, আমরা এমন তুচ্ছতার কালচারে পতিত হবো যে, সত্যের ব্যাপারটাই অর্থহীনতায় পর্যবসিত হবে। অরওয়েলীয় সমাজে জনগণকে শাস্তি, যন্ত্রণা দিয়ে নিয়ন্ত্রন করা হয়, হাক্সলির দুনিয়ায় প্লেজারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয় জনগণ।

সংক্ষেপে, অরওয়েল মনে করতেন, যা আমরা ভয় পাই তা-ই আমাদের ধ্বংস করবে ।হাক্সলির ভয় ছিলো যে, আমরা যা বাসনা করি, ভালোবাসি তা-ই আমাদেরকে ধ্বংস করবে।

বর্তমান পৃথিবীর সিকিউরিটি ক্যামেরা, রাষ্ট্রের, কর্পোরেশনের বিবিধ রকম নজরদারি ইত্যাদির সাথে অরওয়েলীয় সমাজের মিল থাকলেও তুমুল ডিস্ট্র্যাকশনের এই যুগে, ট্রিভিয়ালিটি ও সাউন্ডবাইটের রমরমা সময়ে, বিজ্ঞাপনের জিংগেল শাসিত, ভাইরালিটির এই কালে, হাক্সলির ডিস্টোপিয়াই বাস্তবতার বেশি কাছাকাছি এবং প্রাসঙ্গিক।

‘এমিউজিং আওয়ারসেলভস টু ডেথ’ বইয়ে শিক্ষাবিদ, মিডিয়া ক্রিটিক, হিস্টোরিয়ান নিল পোস্টম্যানের প্রস্তাবনা এমনটাই।

নির্দিষ্ট মিডিয়াম নির্দিষ্ট ধরনের কন্টেন্টই কেবল ধারণ করতে পারে। অন্তত নির্দিষ্ট ধরনের কন্টেন্টের প্রতি পক্ষপাত থাকেই। মিডিয়া স্কলার মার্শাল ম্যাকলুহানের বিখ্যাত এফরিজম ‘মিডিয়াম ইজ দ্য মেসেজ’- কিছুটা বদলায়ে পোস্টম্যান করেন ‘মিডিয়াম ইজ দ্য মেটাফোর’। মিডিয়াম হিসাবে প্রিন্টিং প্রেসের আবির্ভাব যেমন এক নতুন ধরনের সংস্কৃতির জন্ম দিছে পৃথিবীতে। পোস্টম্যান রিপিটেডলি বলেন, ১৮ শতক, এইজ অফ রিজনের যে শিখর স্পর্শ করে তার একটা প্রধান কারণ মুদ্রিত শব্দ। লার্জ স্কেইলে প্রচারযন্ত্রের মুদ্রিত শব্দেই কেবল জটিল আইডিয়াকে যৌক্তিকভাবে প্রকাশ করা সম্ভব হইছে। পোস্টম্যানের দাবি, টিভিও তেমনি নতুন  কালচারের জন্ম দিছে।

পোস্টম্যান দেখান কিভাবে, ইনফরমেশন প্রসেসিং এবং অগ্রাধিকার দেওয়ার দিক দিয়া মৌখিক, লিটারেট থেকে টেলিভিজুয়াল কালচার মৌলিকভাবে আলাদা। প্রতিটি মিডিয়াম ভিন্ন ভিন্ন ধরনের জ্ঞানের জন্যে উপযুক্ত। র‍্যাশনাল ইনকুয়ারির জন্যে যে ফ্যাকাল্টির দরকার, তা টেলিভাইজড ভিউইং দিয়া দূর্বল হয় -এইটাও পোস্টম্যানের দাবি। বক্তব্যের পক্ষে পোস্টম্যানের উদাহরণ: রিডিং-এর ক্ষেত্রে দরকার এ্যাক্টিভ বুদ্ধিবৃত্তিক ইনভলভমেন্ট। অন্যদিকে টিভি দেখার ক্ষেত্রে ইনভলভমেন্টটা তুলনায় প্যাসিভ।

Image result for neil postman

 

পোস্টম্যানের প্রস্তাবনা হইলো, মিডিয়াম হিসাবে টেলিভিশনের পক্ষপাত, ‘এন্টারটেইনমেন্ট’-এর প্রতি। যৌক্তিক, রিফ্লেক্টিভ চিন্তাশীলতা ইমেজ ও সাউন্ড-নির্ভর এই মিডিয়ামের সাথে যায় না, যেহেতু যৌক্তিক, সিরিয়াস বুদ্ধিবৃত্তিক ডিসকোর্স সাধারণত এ্যাবস্ট্র্যাকশনের ব্যাপার। চিন্তা পার্ফমিং আর্ট না। অথচ টিভির দরকার পার্ফমিং আর্ট। টিভি টকশোগুলিকে এমনকি সিরিয়াস ইস্যুতেও এমনভাবে আবির্ভূত হতে হয় যাতে তা ‘উপভোগ্য’ হয়ে ওঠে। টকশোগুলিতেও, এই কারণে, দেখা যায় বক্তাদের মধ্যে অমুক পক্ষের একজন থাকে, তমুক পক্ষের আরেকজন, এমনকি সোকল্ড নিরপেক্ষও একজন থাকতে পারে, যাতে ঠিক যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব ও নাটকীয়তা ও টান টান উত্তেজনা  বিরাজ করে।

পাঠকের কাছে পোস্টম্যানের প্রশ্ন:
সর্বশেষ কবে আপনি খবর দেখছেন টিভি বা অনলাইনে? আপনার কন্সিউম করা কন্টেন্টের কতটুকু প্রভাব আপনার উপরে আছে?

কিছু খবর, যেমন আবহাওয়া, শেয়ার বাজার বা স্থানীয় ঘটনা আপনাকে আসলেই এ্যাকশনে বাধ্য করে। এইসব খবরের কথা বলা হচ্ছে না। খবর হিসাবে আমরা মূলত যা গিলি এবং আমাদেরকে গেলানো হয়, হত্যা, গুম, রাহাজানি, দুর্নীতি, কেলেঙ্কারি ইত্যাদি, তার বেশিরভাগই আসলে এইগুলার মতো নয়।

তথ্য যখন সীমিত ছিলো, তথ্যের মূল্য তখন বিবেচিত হতো সেই তথ্যের ভোক্তার এ্যাকশনকে প্রভাবিত করতে পারার সামর্থ্য দিয়া। অন্য দিকে তথ্যের প্রবাহ অবারিত অন্তহীন হলে ভোক্তাদের প্রভাবিত করার ক্ষমতা কমে যায় তথ্যের।

তথ্যের আর তথ্যের ভোক্তার এ্যাকশন, এই দুইয়ের অনুপাত (ইনফো-এ্যাকশন রেশিও) কমতে কমতে শূণ্যের কাছে চলে আসলে, ইমিডিয়েট প্লেজারই হয়ে ওঠে তথ্যের নতুন ভ্যালু। তথ্য ক্রমশ হয়ে ওঠে বিনোদন। বিনোদন থেকে তথ্যকে আর আলাদা করা যায় না।

খবর হিসাবে প্রচারিত ও বিজ্ঞাপিত হলেও এইগুলা, পোস্টম্যানের মতে, তাই, নিউজ প্রোগ্রামও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানই। সংবাদে থিম মিউজিকের ব্যবহার, কমার্শিয়াল ব্রেক, আপকামিং নিউজের হাইলাইটস ইত্যাদি আসলে নিউজের বিনোদন হয়ে যাওয়ার প্রমাণ করে, বুঝায়ে দেয় এইগুলা, সংবাদসকল, সিরিয়াসলি নেওয়ার কিছু নাই। দিজ আর জাস্ট এন্টারটেইনমেন্ট। তার ভাষায়, ‘আমাদের দৈনিক খবরের বেশিরভাগই হইতেছে বেহুদা তথ্যের সমবায় যা আমাদেরকে কিছু নিয়া কথা বলার সুযোগ দেয় কিন্তু মিনিংফুল কোনো এ্যাকশনে নিয়া যাইতে পারে না’।

এমন মনে হইতে পারে যে, বই পড়ার জায়গায় টিভির আধিপত্যের জন্যে টিভির প্রতি পোস্টম্যান ক্রিটিক্যাল। ভাবনাটা ভুল হবে। ইন ফ্যাক্ট পোস্টম্যান এই বই নিয়ে টিভি টকশোতে অংশ নিছিলেন।

 

টেকনোলজি হিসাবে বোকা বাক্স নিয়া পোস্টম্যানের মাথা ব্যাথা ছিলো না, বরং ছিলো টিভিকে একটা মিডিয়াম হিসেবে নিয়া।

কেননা ‘নির্দিষ্ট সামাজিক পরিসরে, কোনো টেকনোলজি নির্দিষ্ট সিম্বলিক কোড ব্যবহার করে যদি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষিতে ক্রিয়া করতে পারে, তখন তা মিডিয়াম হয়ে ওঠে। অন্যভাবে বললে, টেকনোলজি নিতান্ত একটা মেশিন। মিডিয়াম হচ্ছে ওই মেশিনের তৈরি করা সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক পরিবেশ’।

তার প্রধান কনসার্ন ছিলো সেই ডিস্কোর্সে যেখানে মিডিয়াম উৎপাদন করে একটা ‘কালচার অফ এন্টারটেইনমেন্ট’ বা বিনোদনের সংস্কৃতি।

এমন না যে, টেলিভিশন এন্টারটেইনিং বরং টেলিভিশন এন্টারটেইনমেন্টকেই সমস্ত অভিজ্ঞতা রেপ্রিজেন্টেশনের স্বাভাবিক ফরম্যাট বানায়ে ফেলেছে। সমস্যা এইটা না টেলিভিশন আমাদের বিনোদনমূলক সাবজেক্ট ম্যাটার উপহার দেয়, সমস্যা হলো সমস্ত বিষয়ই  এন্টারটেইনিং হিসেবে উপস্থাপিত  হয়।

প্রশ্ন তোলা যায়, এন্টারটেইনমেনটে প্রবলেম কী? দুনিয়ায় চিরকালই মানুষ আকাশ কুসুম কল্পনা করছে। সমস্যা তখনই হয়, সাইক্রিয়াট্রিস্টরা বলবে, যখন মানুষ সেইটা যাপন করা শুরু করে। একারণে শুধু এন্টারটেইনমেন্ট না জীবনের সর্বস্তরে এই এন্টারটেইনমেন্ট কালচারের প্রভাব পড়তে থাকে।

উইটি এবং ইন্সাইটফুল পোস্টম্যান লেখেনঃ ‘আম্রিকানরা এখন আর একে অপরের সাথে কথা বলে না, তারা পরস্পরকে এন্টারটেইন করে। তারা আইডিয়া বিনিময় করে না, তারা ইমেজ বিনিময় করে। নির্দিষ্ট প্রস্তাবনাসহ তারা তর্ক করে না, গুড লুক, সেলেব্রেটি আর কমার্শিয়াল নিয়া করে’।
আম্রিকার জায়গায় আপনি ‘সোনার বাংলা’ বা অন্য যেকোনো অঞ্চল বসাইতে পারেন। হাতি বঙ্গবাহাদুর, তাহসান-মিথিলার ডিভোর্স, মিস ইউনিভার্স বাংলা এভ্রিল ইত্যাদির পাব্লিক ডিস্কোর্স হয়ে যাওয়ার রহস্য আপনি পাবেন।  ‘মেটাফোর হিসাবে টেলিভিশনের মেসেজ এমন না যে দুনিয়াটাই একটা মঞ্চ। বরং মঞ্চটা এখন লাস ভেগাস, নেভাডায়  অবস্থিত।’

এন্টারটেইনমেন্ট ও শো বিজনেসের কালে রাজনীতিতে যা হয়:

‘সমস্ত টিভি কমার্শিয়াল থেকে যা শিক্ষনীয়ঃ তারা কোনো স্লোগান, সিম্বল বা দৃষ্টিভঙ্গি সরবরাহ করে যা দর্শকদের মধ্যে একটা পূর্ণাঙ্গ ও বিশ্বাসযোগ্য ইমেজ তৈরি করে। পার্টি পলিটিক্সের থেকে টেলিভিশন পলিটিক্সের শিফটের ক্ষেত্রেও একই  লক্ষ্যে চলা হয়। আমাদের আর জানার সুযোগ থাকে না প্রেসিডেন্ট, গভর্নর বা সিনেটর হিসাবে কে উত্তম। বরং সুযোগ থাকে আমাদের গভীরের অসন্তোষকে স্পর্শ ও মোলায়েম করে দিতে কার ইমেজ ইমেজ উপযুক্ত। টিভি পর্দায় তাকায়ে ‘স্নো হোয়াইট এন্ড দ্য সেভেন ডরফস’ এর রানীর মতো আমরা প্রশ্ন করিঃ Mirror, mirror on the wall, who the fairest one of all?

ভোট দিতে আমাদের  পক্ষপাত থাকে তাদের প্রতি টিভি পর্দায়ে দেখা  যাদের ব্যক্তিত্ব, ফ্যামিলি লাইফ, এবং স্টাইল, রানীর আয়নার চেয়ে ভালো উত্তর দেয়। আড়াই হাজার বছর আগে, জেনোফেনিস যেমনটা মন্তব্য করছিলেন, মানুষ চিরকাল নিজেদের ইমেজের সাথে মিল রেখে ঈশ্বর বানাইছে। টিভি এইক্ষেত্রে আরেকটা মাত্রা যুক্ত করছেঃ যারা গড হইতে চায় দর্শকের প্রত্যাশিত ইমেজ অনুযায়ী তারা নিজেদেরকে ঠিক মতো সাঁজায়ে  নেয়।‘

প্রায় সব ক্ষেত্রে, এনটারটেইনমেন্ট কালচারে মিডিয়া ও জীবন পর্যুদস্ত হওয়ার ব্যাপারে পোস্টম্যানে ঠিক থাকলেও একটা জায়গা পোস্টম্যানের পক্ষে দেখে যাওয়া সম্ভব হয় নাই। কারণ তিনি টেলিভিশন দেখে গেছেন, ইন্টারনেট যুগের সোশ্যাল মিডিয়ায় পাবলিকের ইনফো কনজাম্পশনের কিছুটা বদলে যাওয়া ধরনটা দেখে যান নাই।

টেলিভিশনের ভোক্তারা যতটা প্যাসিভ, ইন্টারনেটের এই সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোক্তারা হয়তো ততটা না। একটা কারণ আগের রেডিও, টেলিভিশন বা ইনফো নেটওয়ার্কের চেয়ে ওয়ান-টু- মেনি মডেল যেখানে একই টেকনলজি থেকে অনেকের কাছে ইনফো ছড়ায়ে পড়তো। এখন ভোক্তাও তুলনায়  এ্যাকটিভ। এখন দেশের একটা প্রধান নিউজ সাইটে কি কন্টেন্ট থাকলো ভোক্তারা তা ক্রিটিক করতে পারে, নিউজ সাইটের কন্টেন্ট কি হবে তাও প্রভাবিতও করতে পারে অনেকখানি। এইটা আগের ওয়ান-টু-মেনি মডেল না বরং মেনি-টু-মেনি মডেল। যদিও জীবনের সমস্ত ক্ষেত্রে এন্টারটেইনমেন্টের আধিপত্য বিষয়ে পোস্টম্যানের ক্রিটিক আশ্চর্য রকম মিলে যায় বর্তমানের সাথে।

একটা ইন্টারভিউতে কালচারাল কৃটিক চাক ক্লস্টারম্যানকে ভালো ক্রিটিসিজম বিষয়ে জিজ্ঞাসিলে উনি বলেন, সদা পরিবর্তনশীল এই যুগে কোনো সমালোচনা ৬ মাসের জন্যে ভ্যালিড হইলেই সেইটা ভালো সমালোচনা বলা উচিৎ।

এইটা মনে পড়তেছিল, নিল পোস্টম্যানের বইটা পড়তে গিয়া। ‘দেখুন ভিডিওসহ’ ‘এ কি করলেন অমুক’ সহ যাবতীয় স্ক্যান্ডালসহ ভাইরাল কন্টেন্টের এই কালে, প্রকাশের ৩৩ বছরেরও বেশি হয়ে গেলেও বইটা অন্য যেকোনো সময়ের চাইতে এখন বেশি প্রাসঙ্গিক।


ট্রিভিয়া→ লেজেন্ডারি ব্যান্ড পিংক ফ্লয়েডের কো-ফাউন্ডার রজার ওয়াটার্স-এর সোলো এ্যালবাম ‘এ্যামিউজড টু ডেথ’ পোস্টম্যানের এই বইটা থেকে ইন্সপায়ার্ড।

আরও দেখেন

জর্জ অরওয়েল-এর ‘বই বনাম সিগ্রেট’... George Orwell কিছু বচ্ছর আগে আমার এক ফ্রেন্ড, এক পত্রিকার সম্পাদক; কিছু কারখানা শ্রমিকের লগে আসমানে ফায়ারওয়াচিং কইরতেছিল। হেরা অর পত্রিকা লই আ...
Avatar
কে এম রাকিব

Share a little biographical information to fill out your profile. This may be shown publicly.

No Comments Yet

Comments are closed

error: